
‘স্মৃতির নোঙর ফেলে এসো মিলি প্রাণের সৈকতে’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে ফেনী পরশুরাম সরকারি মডেল পাইলট হাই স্কুলে প্রথম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ ৮২ বছর পর শুক্রবার বিদ্যালয় মাঠে এক হাজারেরও বেশি সাবেক-বর্তমান শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ঘটে।
পুনর্মিলনী কমিটির আহবায়ক আবু তালেবের সভাপতিত্বে অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথি ছিলেন ফেনী-১ আসনের সাংসদ ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহবায়ক মুন্সি রফিকুল আলম মজনু। কমিটির সদস্য সচিব খুরশিদ আলমের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মনিরা হক, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ সচিব সুলতানা আক্তার,ডিবিসির সম্পাদক লোটন আকরাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আল আমিন সরকার,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অতনু বড়ুয়া ও সহকারী কমিশনার এস.এম.শাফায়াত আখতার নূর।
অনুষ্ঠানে স্টার লাইন গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান জাফর উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আব্দুল হালিম মানিক, সদস্য সচিব ইব্রাহিম খলিল মনির,জামায়াতের উপজেলা আমীর আব্দুল হালিম,ফেনী জেলা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট এমদাদ হোসেন,এপিপি এডভোকেট আব্দুল আলিম মাকসুদ,বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান চৌধুরী ও সাবেক প্রধান শিক্ষক দীপ্তি লাল বাবু,পরশুরাম উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদীন উপস্থিত ছিলেন।
দুপুর সাড়ে ১২ টায় বিশেষ অতিথি জেলা প্রশাসক মনিরা হক বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে পুনর্মিলনীর উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে পুনর্মিলনী স্মরণিকা ‘নোঙর’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। পরে ৫৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী,সাবেক প্রধান শিক্ষক,পরশুরাম প্রেসক্লাব ও গুণীজনদের সম্মাননা দেওয়া হয়।বিকেলে উপস্থিত সকলকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং রাইফেল ড্র জয়ী দের সাথে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রফিকুল আলম মজনু বলেন,“ এ বিদ্যালয়টি পরশুরামের ঐতিহ্যবাহী একটি শিক্ষপ্রতিষ্ঠান। এখানের শিক্ষার্থীরা যেন সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারে,সুনামের সাথে ফলাফল অর্জন করতে পারে সে জন্য পরশুরামের গুণী ও বিদ্যালয়টির প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসতে অনুরোধ করছি। আপনারা এগিয়ে আসুন,যাতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভালো কিছু করতে পারে।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মনিরা হক বলেন,“এ বিদ্যালয় অনেক জ্ঞানী-গুণীদের জন্ম দিয়েছে। এখানকার শিক্ষার্থীরা সারাদেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছে।আমাদের সাথে শুধু পড়াশোনা করলে হবে না,পড়াশোনার পাশাপাশি আমাদের এসব আয়োজনও করতে হবে। এতে শিক্ষার্থীরা উৎসাহিত হবে।”