
ফেনী জেলা ছাত্রদলের রাজনীতিতে জেল জুলুম ও আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে শওকত আলী জুয়েল পাটোয়ারী এখন আলোচনার শীর্ষ স্থানে, একইসঙ্গে সংগ্রামের প্রতীক হয়ে ওঠা নাম।
আসন্ন জেলা ছাত্রদলের কমিটিকে ঘিরে যখন বিভিন্ন ছাত্রনেতার নাম আলোচনা হচ্ছে, তখন জেল জুলুম,হামলা মামলা, ত্যাগ, নির্যাতন আর অবিচল অবস্থানের কারণে জুয়েল পাটোয়ারী’র নাম উঠে এসেছে সবার আগে, সবার উপরে।
রাজনীতির পথটা তার জন্য কখনোই সহজ ছিল না। বারবার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন তিনি। অভিযোগ রয়েছে, বিরোধী শক্তি একাধিকবার তার বাড়িঘরে পুলিশ দিয়ে হয়রানি করেছেন। শুধু তিনি নন—তার পরিবারের ৪’ভাইও মামলা থেকে রেহাই না পেয়ে রাজনৈতিক বিরোধের শিকার হয়েছে। রাজনীতির ‘অপরাধে’ ৩৭টি রাজনৈতিক মামলা ও ২ বার ১ বছরেরও অধিক কারাভোগ করেছেন। একটি পরিবারকে কতটা চাপে ফেললে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়—তার জীবন্ত উদাহরণ যেন জুয়েল পাটোয়ারী’র পরিবার।
সবচেয়ে বেদনাদায়ক বাস্তবতা হলো—অল্প বয়সেই তাকে মোকাবিলা করতে হয়েছে ৩৭টি রাজনৈতিক মামলা। যেখানে অনেকেই একটি মামলার ভয়ে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ায়, সেখানে জুয়েল দাঁড়িয়ে থেকেছেন বুক চিতিয়ে সামনের কাতারে, অটল বিশ্বাসে। মামলা, হামলা, ভয়ভীতি—কিছুই তাকে তার পথ থেকে সরাতে পারেনি।
তিনি বিশ্বাস করেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে, অনুপ্রাণিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব। সেই বিশ্বাস বুকে নিয়েই রাজপথে থেকেছেন, আন্দোলন-সংগ্রামে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন। তার সহযোদ্ধারা তাকে দেখেন একজন অকুতোভয় সৈনিক হিসেবে—যিনি বিপদের মুখে পিছু হটেন না, বরং সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন।
কেবল সংগ্রামী নন, তিনি একজন কর্মীবান্ধব নেতাও বটে। জেলা থেকে উপজেলা—প্রতিটি পর্যায়ে তার গড়ে তোলা হয়েছে শক্তিশালী ছাত্রদলের কর্মীবাহিনী। সুখে-দুঃখে কর্মীদের পাশে দাঁড়ানো, তাদের খোঁজখবর নেওয়া, বিপদে সাহস দেওয়া—এসব গুণ তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।
আজ তার সেই হাজারো কর্মী-সমর্থকের একটাই দাবি—দীর্ঘদিনের ত্যাগ, নির্যাতন আর নিষ্ঠার সঠিক মূল্যায়ন হোক। তারা চান, এই পরীক্ষিত নেতা’র নেতৃত্বের আসনে বসে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করুক।
বর্তমানে তিনি ফেনী জেলা ছাত্রদলের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আসন্ন ফেনী জেলা ছাত্রদলের কমিটিতে তিনি সভাপতি পদপ্রার্থী। এখন দেখার বিষয়—দল তার এই ত্যাগী সৈনিককে কতটা মূল্যায়ন করা হয়।
জুয়েল পাটোয়ারী সত্যের অনুসন্ধান’র সাথে একান্ত আলাপ কালে জানান,দেশ নায়ক মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ও ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ যদি আমাকে ফেনী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে যোগ্য মনে করে দায়িত্ব প্রদান করেন ইনশাআল্লাহ আমি যেমন করে দলের দূরসময়ে সকল ভয়ভীতি উপেক্ষা করেও দলের কাজ করেছি তেমনি করে এ সংগঠনকে একটি আস্থাশীল ও শক্তিশালী ছাত্রসংগঠন হিসেবে উপহার দিবো ইনশাআল্লাহ।