1. admin@sotteronusandhan24.com : admin :
  2. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
এমপি রেহানা আক্তার রানু’র সাথে ফুলেল শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেন নব নির্বাচিত ফেনী শহর ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবার মন্ত্রী’কে “প্রিয় নবী” বলে সমালোচনায় ফেনী জেলা পরিষদ প্রশাসক অধ্যাপক এমএ খালেক ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ে মন্ত্রীর সঙ্গে যুবদল নেতা মাস্টার গিয়াস উদ্দীন মীরের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঈদ পুনর্মিলনীতে মিলনমেলা, বৃক্ষরোপণ ও মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো গোল্ডেন ব্যাচ-১৯৯৭ পরশুরাম পাইলট হাই স্কুলের ৮২ বছর পর সাবেক-বর্তমান শিক্ষার্থীদের এই প্রথম মিলনমেলা মাদক ব্যবসার প্রতিবাদে তাণ্ডব! চৌদ্দগ্রামে বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ পরশুরামে পানির চেয়েও কম দামে বিক্রি হচ্ছে কোরবানির চামড়া মুসলিম বিবাহিত পরিবারে বাসায় পরোকিয়া করতে গিয়ে আটক হওয়া রিমি’র মাদক ও হ্যানিট্যাপসহ বিভিন্ন অপকর্মের তথ্য নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন মধ্যপ্রাচ্যকে অনুসরণ করে ‎পরশুরামে ২০ মুসল্লির ঈদুল আযহার জামাত ঈদুল আজহায় ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিলেন আমান উদ্দীন কায়সার সাব্বির

 ৭ সন্তান নিয়ে অনাহারে এক মা, নেই মাথা গোঁজার ঠাঁই

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০
  • ১২১ বার পড়া হয়েছে

জঙ্গলে ঘেরা খালের ধারে নড়বড়ে বাড়িতে ৬ সন্তান নিয়ে বসবাস রাবেয়া খাতুনের। বাড়িতে প্রবেশের রাস্তা নেই। নেই বাড়িতে বিদ্যুৎ সযোগ। অনিরাপত্তায় বসবাস। একে একে ছয় মেয়ে সন্তানের পর এক ছেলে সন্তান যেন এই দুঃখি পরিবারের সব কষ্ট ভুলিয়ে দিয়েছে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের হতদরিদ্র এই পরিবারের বসবাস। স্বামী শামসুল ইসলামের কিছুই নেই। পিতার দেওয়া ভিটেবাড়িতে ৭ সন্তান নিয়ে থাকেন রাবেয়া খাতুন। অতি কষ্টের সংসার তার। প্রায় দিন ঘরে খাবার থাকে না। ৭ সন্তানের মুখে খাবার তুলে দিতে হিমশিম খান দিনমজুর শামসুল। সকালে কাধে গামছা, হাতে দা নিয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরে নারকেল গাছ সাফ করেন। কোন দিন কাজ হয় আবার কোন দিন হয় না। এদিকে স্ত্রী রাবেয়া খাতুন পিতার বাড়িতেই বাচ্চাকাচ্চা সামলান। কখনো সন্তানের মুখে দুমুঠো ভাত তুলে দিতে পরের বাড়িতে ঝি এর কাজ করেন। রাবেয়া খাতুন জানান, আগে লক্ষিপুর আবাসন প্রকল্পের ঘরে বসবাস করতেন। এখন আর করেন না। এদিকে আম্ফান ঝড়ে তাদের বসবাস করার একমাত্র ঘরটি ভেঙ্গে গেছে। সন্তান নিয়ে নিজ ঘরে বসবাস আর বেঁচে থাকার লড়াই করতে করতে পরিবারটি এখন ক্লান্ত। তাদের দূরাবস্থার জানতে পেরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গান্না ইউনিয়ন বিচিত্রা রাবেয়ার দুগ্ধপোষ্য শিশুকে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও খাবার পৌছে দিয়েছে। তবে এই সহায়তা পরিবারটির জন্য খবুই অপ্রতুল। বেঁচে থাকার জন্য তাদের সরকারী সহায়তা প্রয়োজন। রাবেয়া খাতুন জানান, “আমাগের ঘড়ডা যদি কেও ভাল করে দিত, আর কিছু নগদ টাকা পাইতাম তবে ৭ সন্তান নিয়ে বাঁচতে পারতাম। এ ব্যাপারে গান্না ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাছির উদ্দীন মালিথা জানান, এমন পরিবারের খোঁজ আমাকে কেও দেয়নি। কারণ আমি গান্না ইউনিয়নের প্রতিটি অসহায় দুস্থ পরিবারকে সরকারী কার্ড করে দিয়েছি। তিনি পরিবারটি খুজে বের করে আর্থিক সহায়তা করবেন বলে জানান।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD