
ফেনীর পরশুরামে টিয়ার কাবিখা প্রকল্পে স্থানীয় জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
টিআর প্রকল্পে প্রস্তাবিত রাস্তায় ইটের সলিং ও মাটি ভরাট না করে স্থানীয় জামাত নেতা ও প্রকল্প সভাপতির সুবিধামতো জায়গায় একটি রাস্তা ইটের সলিং করে প্রকল্পের অর্ধেক টাকা উত্তোলন করার অভিযোগ উঠেছে।
ফেনী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ত্রাণ ও পুনর্বাসন শাখার ৭৫২ নং স্মারকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ(টিআর) কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ে বরাদ্দকৃত একটি প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের '৯ নং ওয়ার্ডের নিজ কালিকাপুর গ্রামের এলজিইডির রাস্তা হতে পূর্ব দক্ষিণ দিকে মিল্লাত মজুমদারের বাড়িগামী রাস্তায় মাটি ভরাট ও ইটের সলিংকরণ' এর জন্য দেড় লাখ টাকা বরাদ্দ দেন ফেনী জেলা প্রশাসক।
কিন্তু স্মারকে উল্লেখিত প্রকল্পের কাজ না করে প্রকল্পের সভাপতি ও বক্সমাহমুদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুর রহিম নিজের পছন্দমত একটি রাস্তায় ইটের সলিং করেছেন। পশ্চিম নিজ কালিকাপুরে কাশেমের দোকানের পশ্চিম পাশের একটি সড়কে ইটের সলিং করে কোন রকমে দায় সেরেছেন।মাটি ভরাটের কথা থাকলেও রাস্তাটিতে মাটি ভরাট করা হয়নি।যেনতেন ভাবে কাজ করা হয়েছে।
এদিকে নিজ কালিকাপুরে যে রাস্তাটি স্মারকে উল্লেখ করা হয়েছে,রাস্তা চলাচলকারী মিল্লাত হোসেন সড়কের দুই পাশের প্রায় ৫০ টি গাছ কেটে সড়কটি ইটের সলিং বসানোর জন্য তৈরি করেছিলেন।
তিনি বলেন, প্রকল্পটির জন্য দেড় লাখ টাকার মধ্যে ৭৫ হাজার টাকা ইতিমধ্যে তুলে নিয়েছেন প্রকল্পের সভাপতি ও স্থানীয় জামাত নেতা আব্দুর রহিম।
সরে জমিনে ঘুরে দেখা যায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে ক্ষোভ দেখা যায়।
ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উপজেলা আইসিটি অফিসার মোহাম্মদ ইমরান হোসেন সরেজমিনে পরিদর্শনে গেলে বিষয়টি তার নজরে আসে।এব্যাপারে তিনি জানান, অনুমোদিত প্ৰকল্পের প্রস্তাবিত স্থানে কোনা কাজ হয়নি। প্রকল্প সভাপতি নিজের মত করে অন্য জায়গায় কাজ করে ফেলছে। প্রকল্পের নামে কোন বিল প্রদান না করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ থেকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কাছে একটি চিঠি দেয়া হয়েছে।
প্রকল্পের সভাপতি আব্দুর রহিমের সাথে এ ব্যাপারে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে সংযোগ দেয়া সম্ভব নয়।