
ফেনীর সোনাগাজীতে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে কৃষক দল নেতার বিরুদ্ধে।
অভিযুক্ত ঐ নেতা সোনাগাজীর ৫নং চরদরবেশ ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি বলে জানা যায়। সে ঐ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের সেনেরখিল গ্রামের বেন্ট বাড়ি রফিক উদ্দিনের ছেলে সেন্টু।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপি নেতা কর্মীরা জানিয়েছেন,অভিযুক্ত সেন্টু,চরছান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জেলা কৃষকদল নেতা শামছুদ্দিন খোকন ও চরদরবেশ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদের অনুসারী।
ঘটনার প্রসঙ্গে জানাযায়,একই গ্রামের হাজী রমজান আলী বাড়ির মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে টমটম চালক কামাল উদ্দিন সাত্তরের স্ত্রী কামরুন্নাহারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে চলে বলে কৌশলে ৫ই এপ্রিল গভীর রাতে কৃষকদল নেতা সেন্টু টমটম চালক কামাল উদ্দিন সাত্তারের বাড়িতে যায় ও স্বামীর অনুপস্থিতি টের পেয়ে সুযোগ বুঝে গৃহবধূ কামরুন্নাহারকে রান্না ঘরে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে কৃষকদল নেতা সেন্টু। গৃহবধূ কামরুন্নাহার বাধা দিলেও সেন্টু জোর পূর্বক তাকে ধর্ষণ করে ও ফ্যামিলি কার্ডের বারবার প্রলোভন দেখায়।
একটা সময় ঐ নারী চিৎকার দিলে তার স্বামী কামাল উদ্দিন দৌড়ে এসে তাদেরক হাতেনাতে রান্না ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় ধরে পেলে।
স্বামী কামাল উদ্দিন সাত্তার কৃষকদল নেতা সেন্টুকে তার বাড়িতে এতো রাতে আসার কারণ জানতে চাইলে সেন্টু তাদেরকে সবাইকে জানে মেরে ফেলার হুমকি ধামকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরদিন এঘটনা পাড়া-প্রতিবেশীদের মধ্যে জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় এবং এলাকাবাসীর মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।ঘটনার পর টমটম চালক কামাল উদ্দিন সাত্তার তার স্ত্রী কামরুন্নাহারকে তালাক দিয়েছেন বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় এলাকাবাসী ঐ কৃষকদল নেতা সেন্টুর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। স্বামী কামাল উদ্দিন সাত্তার বলেন আমি সরকারের কাছে লম্পট কৃষকদল নেতা সেন্টুর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
ঘটনার পর অভিযুক্ত কৃষকদল নেতা সেন্টু পলাতক রয়েছে।