
সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, জাতীয়তাবাদী মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট সাহানা আক্তার (শানু)।
আজ ১০-এপ্রিল শুক্রবার নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের পর থেকেই ফেনীর রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনার ঝড়।
ফেনীর সংরক্ষিত মহিলা আসনকে ঘিরে এখন সবচেয়ে আলোচিত ও সম্ভাবনাময় নাম হিসেবে উঠে এসেছে এড. সাহানা আক্তার শানু। দলীয় অঙ্গন থেকে শুরু করে তৃণমূল নেতাকর্মী এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—সবখানেই তাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে সমর্থন ও প্রত্যাশার ঢেউ।
দলের দুঃসময়ে মাঠে সক্রিয় থাকা, আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা এবং নারীর অধিকার ও আইনগত সহায়তায় দীর্ঘদিনের অবদান তাকে “ত্যাগী, পরীক্ষিত ও জনসম্পৃক্ত নেতৃত্ব” হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, এবার যদি মূল্যায়ন হয় যোগ্যতা ও ত্যাগের ভিত্তিতে—তাহলে এই আসনে সবচেয়ে শক্ত অবস্থানে তিনি।
তৃণমূলের একটাই দাবি—যোগ্য নেতৃত্বের মূল্যায়ন চাই
ফেনীর রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা এখন একটাই—যোগ্য, শিক্ষিত ও জনসম্পৃক্ত নেতৃত্বকে সামনে আনা। অনেকের মতে, শুধু পদ নয়—দলীয় আন্দোলনে ভূমিকা, মাঠে উপস্থিতি এবং মানুষের সঙ্গে সম্পর্কই হওয়া উচিত মূল বিবেচ্য।
এই প্রেক্ষাপটে এড. সাহানা আক্তার শানুর নাম ঘিরে তৈরি হয়েছে এক ধরনের “গণআকাঙ্ক্ষা”- যা ক্রমেই ফেনীর রাজনৈতিক অঙ্গনে শক্ত অবস্থান তৈরি করছে। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে শানু মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের পর থেকেই তার নাম ফেনীর রাজনৈতিক মাঠে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে। সম্ভাব্য সংরক্ষিত মহিলা আসন নিয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত না হলেও, মাঠপর্যায়ের আলোচনা ও সমর্থনে তিনি এখন আলোচনার শীর্ষে।
সব মিলিয়ে, ফেনীর রাজনীতিতে সংরক্ষিত মহিলা আসন ঘিরে যে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে-তার কেন্দ্রে এখন এডভোকেট সাহানা আক্তার (শানু), যাকে ঘিরে বাড়ছে প্রত্যাশা, আলোচনা ও রাজনৈতিক উত্তাপ।