
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পরশুরাম উপজেলার পলাতক সভাপতি আব্দুল আহাদ চৌধুরী ও যুবদল কর্মী দাবী করা বিলোনিয়ার এয়াছিন চৌধুরী আসিফ (সাবলু) উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের রাজষপুর,বিলোনিয়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধ ভাবে ভারতীয় শাড়ী, থ্রি-পিছসহ চোরাচালানের রমারম ব্যবসা এখন তুঙ্গে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাজষপুর সীমান্ত বর্তী বাসিন্দারা জানান, ৫ আগষ্টের আগে ছাত্রলীগ নেতা আবদুল আহাদ পরশুরাম উপজেলা তিন টি ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকায় অবৈধভাবে চোরাচালানের গডফাদার ছিল।পিক-আপের সরাসরি সীমান্ত গিয়ে চোরাচালানের মালামাল নিয়ে যেত।৫ আগস্টের পর ছাত্রলীগ পালিয়ে গেলেও কিছু চোরাচালান ব্যবসায়ী রয়ে যায়।তারা ছাত্রলীগ পরিবর্তন করে নিজেকে ছাত্রদল, যুবদল পরিচয় দিয়ে চলছে। তারাই সীমান্ত দিয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি আহাদ ও বর্তমান যুবদল দাবীকরা বিলোনিয়ার সাবলু ভারতীয় শাড়ী, থ্রি-পিছ ব্যাবসা যৌথ ভাবে পরিচালনা করছে। তারা বলেন আমরা কোন দেশে বসবাস করছি একটা নিষিদ্ধ সংগঠনের পলাতক সভাপতি এখনো কি ভাবে পলাতক থেকেও এলাকায় তার অবৈধ ব্যাবসা পরিচালনা করছে। তাকে কারা সেল্টার দিচ্ছে। প্রশাসন জেনেও না জানার ভান করছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মির্জানগর ইউনিয়নের একজন ব্যবসায়ী জানান, উপজেলা যুবদলের সদস্য, মির্জানগর ইউনিয়নে যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহজালালের সহযোগিতায় আবদুল আহাদ নিরাপদ স্থানে চলে যায়।তিনি আরও জানান, শাহজালাল এবং আবদুল আহাদ আত্মীয়।